আজকে আমরা আলোচনা করবো বরবাদ মুভি বহুল আলোচিত চরিত্র জিল্লু, হল থেকে বেরিয়ে সবাই তার ডায়লগ দিতে দেখা য়ায়। চলুন তার সম্পর্কে জেনে নেয়.....
জিল্লু কে
'বরবাদ' শুটিং শুরুর তিন-চার দিন আগে আমার কাছে প্রস্তাবটি আসে ঋদ্ধি সিদ্ধি এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে। তারা জানায় যে- একটা ছবি হচ্ছে, শাকিব খানের পিএসের চরিত্র, পুরো ছবিতে তার সঙ্গেই 'জিল্লু' চরিত্রটিকে দেখা যাবে। এটা শোনার পর আমি সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে গেছি। বলতে পারেন, শাকিব স্যারের কারণেই আমি জিল্লু হতে পেরেছি।’
কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে শ্যাম ভট্টাচার্য্য বলেন, এককথায় অসাধারণ। এই ছবির মাধ্যমে আমার দুটো স্বপ্ন পূরণ হয়ে গেছে। এক বড় স্কেলের কোনো সিনেমাতে অভিনয় করা আর দুই শাকিব খান স্যারের সঙ্গে কাজ করতে পারা। আমি শাকিব স্যারের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে গেছি। এটা আমার কাছে স্বপ্নের মতোই।
স্ক্রিপ্ট পেলেও আমার কাছে কোনো ব্রিফ ছিল না যে চরিত্রটা কিভাবে কী করব। পরে শুটিং শুরুর আগে শাকিব স্যারের সঙ্গে দেখা করে কিছুটা আলোচনা করে নেই। তিনি আমাকে সালমান খানের বডিগার্ড সেরার উদাহরণ দেন। বললেনঃ সেরা শুধু বডিগার্ড কিন্তু তুমি এখানে আমার পিএস। তাই চরিত্রটা বডিগার্ডের না, আমার সব কিছু তোমাকে দেখতে হবে। চরিত্রটা ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে, এ রকম নানা পরামর্শ দিয়েছেন। শুটিংয়ে কোনো ভুল হলে সেটা ধরিয়ে দিয়েছেন এবং শিখিয়েছেন অনেক কিছু। কোনটা কিভাবে করলে ভালো হবে এ রকম অনেক কিছুই। চরিত্রটা যতটুকু ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি তা শাকিব স্যারের কারণে আর অবশ্যই পরিচালক হৃদয় ভাইয়া। এ রকম একটা চরিত্রে কাজ করতে পারার জন্য তাদের সবার কাছেই কৃতজ্ঞ।
🗣️ জিল্লু (শ্যাম ভট্টাচার্য)
গতরাত থেকে চারদিক হতে শুধু একটাই আওয়াজ ভেসে আসছে > এইই! জিল্লু..মাল দে 🫴
আর এই জিল্লু হচ্ছেন ওপার বাংলার টিভি সিরিয়ালের অভিনেতা 'শ্যাম ভট্টাচার্য'। এখন প্রেক্ষাগৃহে শাকিবের সঙ্গে তার ওফাদারি দেখার অপেক্ষায়,আসন্ন ঈদে মুক্তি পাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ তারকার মুভি "বরবাদ"।
জিল্লু- একজন অনুগত সঙ্গী! এমন সঙ্গী হয় বা কজন?
সিনেমার ইতিহাসে কিছু চরিত্র থাকে, যারা শুধু পর্দায় নয়, দর্শকদের হৃদয়েও জায়গা করে নেয়। "বরবাদ" সিনেমার জিল্লু ঠিক তেমনই একটি চরিত্র।যে বিশ্বস্ত এবং একনিষ্ঠ চরিত্র হিসেবে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।
জিল্লু কেবল একজন দেহরক্ষী নয়; বরং সে আরিয়ান মির্জার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী, একনিষ্ঠ সহযোদ্ধা। তার প্রতি অসীম শ্রদ্ধাশীল এই চরিত্রটি সবসময় আরিয়ানের পাশে দাঁড়ায়, তার প্রতিটি নির্দেশ পালন করে এবং প্রয়োজনে নিজের বিচক্ষণতা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। বিপদের মুহূর্তে জিল্লুর উপস্থিতি শুধু দায়িত্ববোধের প্রকাশ নয়, বরং নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের এক নিখুঁত উদাহরণ।
সিনেমায় এমন অনুগত চরিত্রের উদাহরণ খুব বেশি নেই। পাশের দেশ ভারতের সিনেমায় আমরা এই ধরনের বন্ধুত্বের নিদর্শন দেখেছি "মুন্নাভাই এমবিবিএস"-এ সার্কিট এবং "পুষ্পা: দ্য রাইজ"-এ কেশবের চরিত্রে। সার্কিট ছাড়া মুন্নাভাই কিংবা কেশব ছাড়া পুষ্পারাজকে যেমন অসম্পূর্ণ মনে হয়, ঠিক তেমনি জিল্লু ছাড়া আরিয়ান মির্জাকেও ভাবা বেশ কঠিন।
এই চরিত্রগুলো শুধুমাত্র অনুগত সঙ্গী নয়; তারা হয়ে ওঠে আস্থার প্রতীক, নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের উদাহরণ। তারা তাদের জীবনের সবটুকু উজাড় করে দেয় সেই মানুষটির জন্য, যার প্রতি তারা দায়বদ্ধ। এমন চরিত্রগুলোর প্রতি দর্শকদের ভালোবাসা ও কদর দিন দিন বাড়ছে, কারণ সত্যিকারের বিশ্বস্ততা ও আত্মত্যাগের গল্প সবসময়ই হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
জিল্লুর মতো চরিত্রগুলো সিনেমায় শুধু গল্পের অংশ নয় তারা বন্ধুত্ব, দায়িত্ব ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি!
সমাপ্ত
আশা করি এই গানের লিরিক্স টি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে, আমরা প্রতিদিন এই ওয়েবসাইটে নতুন নতুন পোস্ট পাবলিশ করি। আপনারা যদি আমাদের পোস্ট গুলো সবার আগে পড়তে চান বা দেখতে চান,আমাদেরওয়েবসাইটটি ফলো করে রাখুন।পরবর্তীতে কোন বিষয়ের উপর পোস্ট দেখতে চান নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন, সবাই ভালো থাকবেনসম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ